হাদির প্রথম জানাজা কোথায় ও কখন
- আপডেট সময় : ০৮:৪২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮৬ বার পড়া হয়েছে
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র, জুলাই বিপ্লবী ও আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির প্রথম জানাজা সিঙ্গাপুরের আঙ্গুলিয়া মসজিদে সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।
ইনকিলাব মঞ্চ জানায়, ‘বাংলাদেশ বিমানের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকলে ৩টা ৫০ মিনিটে শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ সিঙ্গাপুর থেকে রওনা হবে। সন্ধ্যায় ৬টা ৫ মিনিটে বিমানটি ঢাকায় অবতরণ করবে। ওসমান হাদির প্রথম জানাজা সিঙ্গাপুরের দ্য আঙ্গুলিয়া মসজিদে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে।’
এতে আরও জানানো হয়, ‘বাংলাদেশে শহিদ ওসমান হাদির জানাজা শনিবা বাদ জোহর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে।’
এদিকে শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বৃহস্পতিবার জাতীর উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির মৃত্যুতে শনিবার (২০ ডিসেম্বর) একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শরিফ ওসমান হাদির এই অকাল মৃত্যুতে আমি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। তার প্রয়াণ দেশের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক পরিসরে এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমি তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত স্ত্রী, পরিবারের সদস্যবৃন্দ, স্বজন ও সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। শহিদ ওসমান হাদির স্ত্রী ও একমাত্র সন্তানের দায়িত্ব সরকার গ্রহণ করবে।
তিনি বলেন, শহিদ শরিফ ওসমান হাদির অকাল মৃত্যুতে আগামী শনিবার একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করছি। এ উপলক্ষ্যে শনিবার দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সরকারি, বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। একই সাথে আগামীকাল শুক্রবার বাদ জুমা দেশের প্রতিটি মসজিদে শহিদ ওসমান হাদির রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হবে। অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয়গুলোতেও আয়োজন হবে বিশেষ প্রার্থনার।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই, সিঙ্গাপুর সরকারের প্রতি। তারা হাদির চিকিৎসায় অত্যন্ত আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্ব দেখিয়েছেন। বিশেষ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান, যিনি একইসঙ্গে একজন চিকিৎসকও, তার প্রতিও। তিনি নিজে হাদির পরিচর্যা করেছেন এবং আমাকে নিয়মিত চিকিৎসা সম্পর্কে খোঁজখবর দিয়েছেন।
তিনি বলেন, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সব অপরাধীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখানো হবে না। বিপ্লবী রক্তে উজ্জীবিত এই তরুণ নেতা ওসমান হাদি ছিলেন প্রতিবাদের এক আইকন। তার কর্মের মধ্য দিয়ে তিনি শুধু প্রতিবাদ নয়, দেশপ্রেম, ধৈর্য ও দৃঢ়তার অনন্য দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন।









